অথর্ববেদ সংহিতা
বিশুদ্ধ অথর্ববেদের বাংলা অনুবাদ
অথর্ববেদ - কাণ্ড ১, সূক্ত ১, মন্ত্র ১
য়ে ত্রীষপ্তাঃ পরিয়ন্তি বিশ্বা রূপাণি বিভ্রতঃ। বাচস্পতির্বলা তেষাং তন্বো অদ্য দধাতু মে।।
পদপাঠ: যে। ত্রী। সপ্তাঃ। পরি-যন্তি। বিশ্বা। রূপাণি। বিভ্রতঃ। বাচঃ। পতিঃ। বলা। তেষাম্। তন্বঃ। অদ্য। দধাতু। মে।।
বিষয়: মেধাজনন অর্থাৎ বুদ্ধি বৃদ্ধির বর্ণনা।
পদার্থ: (য়ে) যে (ত্রীষপ্তাঃ) একুশ প্রকার পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করে (পরিয়ন্তি) সবদিকে ঘুরছে, (তেষাম্) তাদের (বলা) সারভাগগুলি (অদ্য) আজ (বাচস্পতিঃ) বাণীর পালক পরমাত্মা (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করান।।
ভাবার্থ: এই জগতে সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ- এই তিন গুণ; মহত্তত্ত্ব, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র- এই সাত প্রকৃতি; দশ ইন্দ্রিয় এবং মন, সব মিলিয়ে একুশ প্রকার তত্ত্ব বা পদার্থ রয়েছে। মানুষ পরমেশ্বরের উপাসনার দ্বারা এদের শক্তি জেনে নিজের শরীরে বা আত্মায় ধারণ করে এবং নিজের বুদ্ধিকে বাড়ায়।।
বিষয়: মেধাজনন।
পদার্থ: (য়ে) যাহারা (ত্রীষপ্তাঃ) তিন সাতে [অর্থাৎ তিন গুণ, মহত্তত্ত্ব, অহংকার, ৫ তন্মাত্র ও ১১ ইন্দ্রিয় বা ৫ জ্ঞানেন্দ্রিয়, ৫ কর্মেন্দ্রয়, ৫ প্রাণ, ৪ অন্তঃকরণ, ১ জীব ও ১ পরমাত্মা] (বিশ্বা) সকল (রূপাণি) রূপ (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) পরিভ্রমণ করিতেছে (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল (বাচস্পতিঃ) বাচস্পতি [ঈশ্বর] (অদ্য) অদ্য (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করুন।
ভাবার্থ: মনুষ্য ঈশ্বরের উপাসনা দ্বারা শরীরে ও আত্মায় বল ধারণ করিয়া বুদ্ধিমান হউন।
পদার্থ: (য়ে) যাহারা (ত্রীষপ্তাঃ) ২১টি পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) ঘুরছে। (বাচস্পতিঃ) বাণীর অধিপতি (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করুন।
টীকা: ভাষ্য- ২১টি পদার্থ হলো- প্রকৃতি, মহৎ, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র, পঞ্চভূত, পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়, পঞ্চকর্মেন্দ্রয় এবং মন। অথবা সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ, মহত্তত্ত্ব, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র, পঞ্চভূত, পঞ্চপ্রাণ ও মন।
বিষয়: জ্ঞান ও বল প্রাপ্তি।
পদার্থ: (য়ে) যে (ত্রীষপ্তাঃ) ২১টি পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) ব্যাপ্ত হইয়া আছে, (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল বা সারভাগ (বাচস্পতিঃ) বাণীর স্বামী বেদোপদেষ্টা জগদীশ্বর (অদ্য) এখন (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করান বা পুষ্ট করুন।
ভাবার্থ: পরমেশ্বরের নিকট প্রার্থনা করা হইয়াছে যে, তিনি যেন উপাসকের শরীর ও আত্মায় প্রকৃতির সমস্ত শক্তি ও জ্ঞান প্রদান করেন।
অথর্ববেদ - কাণ্ড ১, সূক্ত ১, মন্ত্র ১
য়ে ত্রীষপ্তাঃ পরিয়ন্তি বিশ্বা রূপাণি বিভ্রতঃ। বাচস্পতির্বলা তেষাং তন্বো অদ্য দধাতু মে।।
পদপাঠ: যে। ত্রী। সপ্তাঃ। পরি-যন্তি। বিশ্বা। রূপাণি। বিভ্রতঃ। বাচঃ। পতিঃ। বলা। তেষাম্। তন্বঃ। অদ্য। দধাতু। মে।।
বিষয়: মেধাজনন অর্থাৎ বুদ্ধি বৃদ্ধির বর্ণনা।
পদার্থ: (য়ে) যে (ত্রীষপ্তাঃ) একুশ প্রকার পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করে (পরিয়ন্তি) সবদিকে ঘুরছে, (তেষাম্) তাদের (বলা) সারভাগগুলি (অদ্য) আজ (বাচস্পতিঃ) বাণীর পালক পরমাত্মা (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করান।।
ভাবার্থ: এই জগতে সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ- এই তিন গুণ; মহত্তত্ত্ব, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র- এই সাত প্রকৃতি; দশ ইন্দ্রিয় এবং মন, সব মিলিয়ে একুশ প্রকার তত্ত্ব বা পদার্থ রয়েছে। মানুষ পরমেশ্বরের উপাসনার দ্বারা এদের শক্তি জেনে নিজের শরীরে বা আত্মায় ধারণ করে এবং নিজের বুদ্ধিকে বাড়ায়।।
বিষয়: মেধাজনন।
পদার্থ: (য়ে) যাহারা (ত্রীষপ্তাঃ) তিন সাতে [অর্থাৎ তিন গুণ, মহত্তত্ত্ব, অহংকার, ৫ তন্মাত্র ও ১১ ইন্দ্রিয় বা ৫ জ্ঞানেন্দ্রিয়, ৫ কর্মেন্দ্রয়, ৫ প্রাণ, ৪ অন্তঃকরণ, ১ জীব ও ১ পরমাত্মা] (বিশ্বা) সকল (রূপাণি) রূপ (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) পরিভ্রমণ করিতেছে (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল (বাচস্পতিঃ) বাচস্পতি [ঈশ্বর] (অদ্য) অদ্য (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করুন।
ভাবার্থ: মনুষ্য ঈশ্বরের উপাসনা দ্বারা শরীরে ও আত্মায় বল ধারণ করিয়া বুদ্ধিমান হউন।
পদার্থ: (য়ে) যাহারা (ত্রীষপ্তাঃ) ২১টি পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) ঘুরছে। (বাচস্পতিঃ) বাণীর অধিপতি (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করুন।
টীকা: ভাষ্য- ২১টি পদার্থ হলো- প্রকৃতি, মহৎ, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র, পঞ্চভূত, পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়, পঞ্চকর্মেন্দ্রয় এবং মন। অথবা সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ, মহত্তত্ত্ব, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র, পঞ্চভূত, পঞ্চপ্রাণ ও মন।
বিষয়: জ্ঞান ও বল প্রাপ্তি।
পদার্থ: (য়ে) যে (ত্রীষপ্তাঃ) ২১টি পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) ব্যাপ্ত হইয়া আছে, (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল বা সারভাগ (বাচস্পতিঃ) বাণীর স্বামী বেদোপদেষ্টা জগদীশ্বর (অদ্য) এখন (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করান বা পুষ্ট করুন।
ভাবার্থ: পরমেশ্বরের নিকট প্রার্থনা করা হইয়াছে যে, তিনি যেন উপাসকের শরীর ও আত্মায় প্রকৃতির সমস্ত শক্তি ও জ্ঞান প্রদান করেন।
অথর্ববেদ - কাণ্ড ১, সূক্ত ১, মন্ত্র ১
য়ে ত্রীষপ্তাঃ পরিয়ন্তি বিশ্বা রূপাণি বিভ্রতঃ। বাচস্পতির্বলা তেষাং তন্বো অদ্য দধাতু মে।।
পদপাঠ: যে। ত্রী। সপ্তাঃ। পরি-যন্তি। বিশ্বা। রূপাণি। বিভ্রতঃ। বাচঃ। পতিঃ। বলা। তেষাম্। তন্বঃ। অদ্য। দধাতু। মে।।
বিষয়: মেধাজনন অর্থাৎ বুদ্ধি বৃদ্ধির বর্ণনা।
পদার্থ: (য়ে) যে (ত্রীষপ্তাঃ) একুশ প্রকার পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করে (পরিয়ন্তি) সবদিকে ঘুরছে, (তেষাম্) তাদের (বলা) সারভাগগুলি (অদ্য) আজ (বাচস্পতিঃ) বাণীর পালক পরমাত্মা (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করান।।
ভাবার্থ: এই জগতে সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ- এই তিন গুণ; মহত্তত্ত্ব, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র- এই সাত প্রকৃতি; দশ ইন্দ্রিয় এবং মন, সব মিলিয়ে একুশ প্রকার তত্ত্ব বা পদার্থ রয়েছে। মানুষ পরমেশ্বরের উপাসনার দ্বারা এদের শক্তি জেনে নিজের শরীরে বা আত্মায় ধারণ করে এবং নিজের বুদ্ধিকে বাড়ায়।।
বিষয়: মেধাজনন।
পদার্থ: (য়ে) যাহারা (ত্রীষপ্তাঃ) তিন সাতে [অর্থাৎ তিন গুণ, মহত্তত্ত্ব, অহংকার, ৫ তন্মাত্র ও ১১ ইন্দ্রিয় বা ৫ জ্ঞানেন্দ্রিয়, ৫ কর্মেন্দ্রয়, ৫ প্রাণ, ৪ অন্তঃকরণ, ১ জীব ও ১ পরমাত্মা] (বিশ্বা) সকল (রূপাণি) রূপ (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) পরিভ্রমণ করিতেছে (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল (বাচস্পতিঃ) বাচস্পতি [ঈশ্বর] (অদ্য) অদ্য (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করুন।
ভাবার্থ: মনুষ্য ঈশ্বরের উপাসনা দ্বারা শরীরে ও আত্মায় বল ধারণ করিয়া বুদ্ধিমান হউন।
পদার্থ: (য়ে) যাহারা (ত্রীষপ্তাঃ) ২১টি পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) ঘুরছে। (বাচস্পতিঃ) বাণীর অধিপতি (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করুন।
টীকা: ভাষ্য- ২১টি পদার্থ হলো- প্রকৃতি, মহৎ, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র, পঞ্চভূত, পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়, পঞ্চকর্মেন্দ্রয় এবং মন। অথবা সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ, মহত্তত্ত্ব, অহঙ্কার, পঞ্চতন্মাত্র, পঞ্চভূত, পঞ্চপ্রাণ ও মন।
বিষয়: জ্ঞান ও বল প্রাপ্তি।
পদার্থ: (য়ে) যে (ত্রীষপ্তাঃ) ২১টি পদার্থ (বিশ্বা) সমস্ত (রূপাণি) রূপকে (বিভ্রতঃ) ধারণ করিয়া (পরিয়ন্তি) ব্যাপ্ত হইয়া আছে, (তেষাম্) তাহাদের (বলা) বল বা সারভাগ (বাচস্পতিঃ) বাণীর স্বামী বেদোপদেষ্টা জগদীশ্বর (অদ্য) এখন (মে) আমার (তন্বঃ) শরীরে (দধাতু) ধারণ করান বা পুষ্ট করুন।
ভাবার্থ: পরমেশ্বরের নিকট প্রার্থনা করা হইয়াছে যে, তিনি যেন উপাসকের শরীর ও আত্মায় প্রকৃতির সমস্ত শক্তি ও জ্ঞান প্রদান করেন।
মতামত দিন
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন